ধর্ষনে শীর্ষ দশ দেশ ও কিছু কথা

এখন আমি আপনাদের দেখাব সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অপরাধ হয় কুখ্যাত এমন দশটি দেশের নাম আপনারা জেনে অবাক হবেন উন্নত দেশগুলো যেমন-আমেরিকা,যুক্তরাজ্য ,সুইডেন ও ইউরোপীয় দেশগুলো সহ পশ্চিমা দেশ গুলো একাতারে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে,যদিও তারা সভ্য বলে বিবেচিত।অনেকে বলে আমাদের দেশেই পর্দা প্রথার কারণেই বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই পর্দাপ্রথা মোটেও খারাপ বা সেকেলে প্রথা নয়,তা ধর্ষণ রোধ করে।যারা ইসলামের এ প্রথা মানে না,ইসলামি আইন মানে না, দেখুন তাদের অবস্থা।পর্দাবিরোধী কথিত নারী আন্দোলন কর্মী ও প্রগতিশীলরা দেখুন কত গতি পেয়েছে তাদের ধর্ষণের।এর একমাত্র কারণ ইসলামি আইন না মানা।আর কতকাল দেখেও না দেখার ভান করবেন! 

বিশ্ব মোড়ল যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ৮৩% মেয়ে যাদের বয়স ১২-১৬ স্কুল জীবনেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে।ছোটদেরই এই অবস্থা বড়দের তো আরো খারাপ!  ইংল্যান্ডে প্রতি ৫জন মহিলার ১ জনেরই এধরনের অভিজ্ঞতা রয়েছে যাদের বয়স ১৬-৫৯ বছর। আমাদের পার্শবতী হিন্দুত্ববাদী ভারতও ব্যাপক উন্নতি করেছে তালিকায়।মনে রাখবেন এ তালিকা আমি করি নি।সোর্স দিব দেখে নিবেন।

তালিকাটি নিম্নরূপ :
১.দক্ষিণ আফ্রিকা
২.সুইডেন
৩.আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র
৪.ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস।
৫.ভারত
৬.নিউজিল্যান্ড
৭.কানাডা
৮.অস্ট্রেলিয়া
৯.জিম্বাবুয়ে
১০.ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ড 
এবার বলতে চাই আপনারা কি এই জন্য আন্দোলন করছেন যে মেয়েরা পর্দাহীনভাবে ঘুরে বেড়াক,তারাএই অশালীন পোশাকে চলাফেরা করুক আর ধর্ষনের শিকার হোক।ইসলাম নারীকে পর্দা করতে বলেছে; যাতে তারা অন্য পুরুষকে উত্তেজিত না করে।আর পর্দা করার পরও যেসব পুরুষ দুর্ব্যবহার করবে তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।আর আপনারা শুধু ইসলামকেই দোষ দিয়ে যাচ্ছেন।সত্য বললেই হয়।আপনারা চান ফ্রী সেক্স,পর্দাহীন নারী; যেটা আপনাদের সুবিধা করবে কুবাসনা পূরণ করতে।

সোর্স:
wonderlist.com
মামুন-অর-রশিদ
mamun.techbuzz@gmail.com





Share on Google Plus

About Think Link

0 মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন